Posts

Showing posts from December, 2020

পরিচয়

 আমি সোহান আহামেদ,  বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভার, দক্ষিণ চর জয়পাড়ায়। ভাই বোনদের মধ্যে আমি সর্বকনিষ্ঠ। ২০১২ সালে মাধ্যমিক পাস করেছি জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে (সিজিপিএ ৩.৩৮) এবং ২০১৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করি ক্যামব্রিয়ান কলেজ এর বানিজ্যিক বিভাগ থেকে (সিজিপিএ ৪.৯০)। বর্তমানে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের পড়ছি। আমার সাংবাদিকতার হাতেখড়ি বেক্সিমকো মিডিয়া লিঃ এর আনন্দভুবন নামের এক ম্যাগাজিন থেকে। সেখানে আমি প্রায় দুই বছর রিপোর্টার ছিলাম। আমি ২য় সেমিস্টার থেকে সাংবাদিকতা করি।  আনন্দভুবন এর পাশাপাশি আমি রাইজিং বিডি,  ইত্তেফাকসহ আরও বেশ কিছু জায়গায় লেখা লেখি করি। বর্তমানে আমি আরটিভিতে ইন্টার্নিশিপ শেষ করে এখানে ট্রেনি রিপোর্ট হিসেবে আছি।

আমার শৈশব

আর পাঁচটা গ্রামের ছেলের শৈশব কাটে মাঠে ঘাটে ক্রিকেট, ফুটবল খেলে কিংবা পুকুরে সাতার কেটে অথবা মায়ের বকুনি খেয়েও বন্ধুদের সাথে সারাদিন ঘুরেফিরে।  ছোটবেলায় আমায় সবাই ডাকতো 'শাপলার' ডাক্তার। কেনো? তাহলে শুনোন, ছোট বেলায় আমার খুব ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়ার। আমাদের বাড়ির পাশেই ইছামতী নদীর একটা ছোট্ট শাখা বয়ে গেছে। সেখান থেকে শাপলা এনে দুই ভাগ করে কানে লাগিয়ে সেটা দিয়ে সবার চিকিৎসা করতাম। তাই সবাই আমাকে শাপলার ডাক্তার বলে ডাকত। আমার নাম শেখ সোহান আহমেদ, আমার বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার থানায়। দক্ষিন চর জয়পাড়ায় দুই বোন, বাবা- মা কে নিয়ে আমাদের ছোট্ট বাড়িতে বসবাস। জন্মের পর থেকে স্কুলের বন্ধুদের সাথে নই খেলাতাম বান্ধবিদের সাথে কুতকুত, কানামাছি। মানে যে খেলাগুলো মেয়েরা খেলে আর কি। তাই বলে ভাবিয়েন না আমার স্বভাব মেয়েদের মত। তবে মেয়েদের সাথে খেলেছি বলেই হয়ত ক্রিকেট ফুটবলের প্রতি কখনও আগ্রহ তৈরি হয়নি। এটা ছিল একেবারে ছোটবেলা মানে যখন ক্লাস ওয়ান অথবা টু তে পড়তাম।  তারপর আর খেলিনি। মায়ের বাধ্য ছেলে ছিলাম সারাদিন পড়া নিয়ে ব্যাস্ত আর ফাঁকি দিয়ে দোকান থেকে দুই টাকা আর পাঁচ টাকার চানাচুর, চকলেট, বিস্কুট ...

ভ্রমন কাহিনী

 প্রতিদিনের মতই সারাদিনের কাজ শেষে সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া হচ্ছে আমার অন্যতম আরেকটি কাজ। শোভন, পলাশ, মাসুদ, ইমরুল, বাবুসহ আরও কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আমাদের কাছে আড্ডা দেয়াটায় অন্যতম কাজ। আমি শেখ সোহান আহমেদ, পড়াশোনা করছি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। আমার কাজ বলতে পড়াশোনা করা আর বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোই অন্যতম। তাই সময় পেলেই হঠাৎ করে ঘুরতে যাওয়াটা আমার কাছে নতুন কিছু নই। অত প্ল্যান করে ঘুরাঘুরি আমাকে দিয়ে হয় না। সেদিনও তাই হল। এই তো গত ১ সপ্তাহ আগের কথা। শোভন বলছে, মামা কক্সবাজার যাবি? আমি বললাম পকেটে টাকা নেয় মামা, যেতে পারব না। এক ধমক দিয়ে আমাকে বলল যাবি নাকি বল? আর কি ওর মত নাছর বান্দা যার বন্ধু তার কি না বলার সাহস থাকে। যদিও সেদিন আড্ডায় সবাই ছিল না। তাই আমি শোভন আর পলাশ তিন বন্ধু মিলে গায়ে যা পরে ছিলাম তাতেই বের হয়ে গেলাম। কলাবাগান যেয়ে বাসে করে পরদিন সকালে পৌঁছালাম সুগন্ধা বিচের সামনে। যেহেতু আমরা সবাই স্টুডেন্ট তাই অত বড় থ্রিস্টার হোটেলে গেলে তো আমাদের চলে না। নরমালের মধ্যে মোটামুটি একটা হোটেলে একটা রুম নিলাম। রুমে যেয়ে পুরায় স্বপ্নের মতন লাগছে আমি কি সত্যিই চলে এলাম! ...